তিস্তা সেচ প্রকল্পEex ifehiCc Qqtpu i12 RrQqDUbwzd 34 H JOo 123
তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এ প্রকল্পটি নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ৫ লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করে। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে। সেচ প্রকল্পটির পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
পরিচ্ছেদসমূহ
- ১ অবস্থান
- ২ ইতিহাস
- ৩ পর্যটন
- ৪ তথ্যসূত্র
- ৫ বহিঃসংযোগ
অবস্থান[সম্পাদনা]
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানি এবং নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ডালিয়া নামক স্থানে অবস্থিত। রংপুর শহর থেকে এর দুরত্ব ৬১ কিলোমিটার।
ইতিহাস[সম্পাদনা]
উত্তরাঞ্চল খরাপিড়িত এলাকা হওয়ায় তৎকালিন বৃটিশ আমলে ১৯৩৭ সালে তিস্তা ব্যারেজ নিমার্ণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।[১] তবে এর মুল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান আমলে। ১৯৫৭ সালে নির্মাণ কাজ শুরুর পরিকল্পনা থাকলে রাজনৈতিক অস্থিতিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৯ সালে ব্যারেজ নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫ সালে সৌদি উন্নয়ন তহবিল ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং আবুধাবি উন্নয়ন তহবিলের প্রায় ২,৫০০কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা ব্যারেজসহ সেচ যোগ্য কৃষিজমি ও জলকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৯০ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং একই বছর ৫ আগস্ট এর কার্যক্রম চালু হয়। এর মোট নির্মাণ ব্যয়ছিল ১৫শ কোটি টাকা এবং ৫ লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করে।[১] ২০১৬ সালে ২৬৬ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।[২]
পর্যটন[সম্পাদনা]
তিস্তা ব্যারেজ ও সেচ প্রকল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে বিনোদন স্পট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর তিস্তার ব্যারেজের উজানে বাঁধ দিয়ে ঘেরা কৃত্রিম জলরাশি, সেচ বাইপাস খাল, বনায়ন আর পাথর দিয়ে বাধাঁনো পাড় সব মিলে এক মনোরম পরিবেশ। শীতকালে এখানে প্রচুর অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
|
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ ক খ "তিস্তা ব্যারেজ ও খাল"। নীলফামারী জেলা তথ্যবাতায়ন।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "তিস্তা ব্যারাজের দ্বিতীয় সেচ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা"। দৈনিক নয়াদিগন্ত।
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে তিস্তা সেচ প্রকল্প সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে। |